গাইবান্ধার গণশুনানিতে ৯ দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধানের সুপারিশ

‘সবাই মিলে গড়বো দেশ, দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে গাইবান্ধায় দুর্নীত দমন কমিশনের ১৯৩তম গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছে। গণশুনানিতে গাইবান্ধা জেলার সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের বিরুদ্ধে উত্থাপিত ৯টি অভিযোগ অনুসন্ধানের জন্য কমিশনে উপস্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সোমবার (১১ মে) গাইবান্ধা ইনডোর স্টেডিয়ামে দুদকের রংপুর সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের আয়োজিত গণশুনানিতে প্রধান অতিথি হিসাবে দুদক সচিব মোহাম্মদ খালেদ রহীম উপস্থিত ছিলেন। গণশুনানিতে ৩২টি সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত দপ্তরের বিরুদ্ধে ৯৭টি অভিযোগের শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে দুদক সচিব মোহাম্মদ খালেদ রহীম বলেন, সাধারণ মানুষের মাঝে দুর্নীতির বিরুদ্ধে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সরকারি দপ্তরগুলোতে সেবার মান বৃদ্ধির জন্য প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা হিসেবে দুদক সারা দেশে নিয়মিত গণশুনানির আয়োজন করে থাকে।
গণশুনানিতে গাইবান্ধার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাসুদুর রহমানের সভাপতিত্বে দুদক মহাপরিচালক মো. মোতাহার হোসেন ও মো. আক্তার হোসেন, গাইবান্ধা জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শরীফ আল রাজিব এবং দুদকের বিভাগীয় কার্যালয় রংপুরের পরিচালক মোহাং নুরুল হুদা বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন।
গণশুনানিতে গণপূর্ত অধিদপ্তর, পানি উন্নয়ন বোর্ড, কাস্টমস, পরিবেশ অধিদপ্তর, গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতাল, রেলওয়ে এবং এলজিইডির ৭টি অভিযোগের বিষয়ে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ভূমি সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের বিরুদ্ধে আসা অভিযোগগুলোর বিষয়ে সাত দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য জেলা রেজিস্ট্রারকে নির্দেশ প্রদান করা হয়। বাকি অভিযোগগুলোর তাৎক্ষণিক সমাধান দেওয়া হয়।













